• ৫ ভাদ্র ১৪৩৩, সোমবার ২৪ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Weather Update

রাজ্য

আবার নিম্নচাপের চোখরাঙানি! রবিবার থেকে মঙ্গলবার ভিজবে বাংলা, কোথায় ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা?

রবিবার থেকেই বাংলার আবহাওয়ায় ফের বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। সকাল থেকেই আকাশ মেঘলা। উপকূলের দিকে ইতিমধ্যেই মেঘ ঢুকতে শুরু করেছে। ফলে রবিবার থেকে বৃষ্টি বাড়তে পারে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টি চলতে পারে।গত সপ্তাহে নিম্নচাপের জেরে প্রবল বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হয়েছিল দক্ষিণবঙ্গ। কলকাতা-সহ প্রায় সব জেলাতেই বৃষ্টি হয়েছিল। বহু জায়গায় জল জমে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়ে। এর মধ্যেই বঙ্গোপসাগরে ফের একটি নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে। অগস্ট মাসে এটি তৃতীয় নিম্নচাপ বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। নতুন এই নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী কয়েক দিন রাজ্যে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, নতুন নিম্নচাপটি বাংলা ও ওড়িশা উপকূলের কাছে অবস্থান করছে। এর প্রভাবে উপকূলবর্তী এবং পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে বৃষ্টি বেশি হতে পারে। কলকাতায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।রবিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। একই সঙ্গে দুই মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া এবং বাঁকুড়ায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। তবে নিম্নচাপের মূল প্রভাব পড়তে পারে ওড়িশা এবং ছত্তীসগঢ়ে।দক্ষিণবঙ্গের পর মঙ্গলবার থেকে উত্তরবঙ্গেও ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। বুধবার কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা রয়েছে।বৃহস্পতিবারও রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। ফলে সপ্তাহের শুরু থেকেই ফের বৃষ্টির দাপট দেখা দিতে পারে বাংলায়। নতুন নিম্নচাপের গতিপথ এবং শক্তি বদলালে বৃষ্টির পূর্বাভাসেও পরিবর্তন হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
কলকাতা

বাংলার আকাশে গভীর নিম্নচাপ, সোমবারই ভয়ঙ্কর বৃষ্টি! ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টির সতর্কতা, এরপর কোন পথে যাবে?

গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে সোমবার সকাল থেকেই কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় প্রবল বৃষ্টি শুরু হয়েছে। টানা বৃষ্টিতে বহু জায়গায় জল জমেছে। ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ ও নিত্যযাত্রীরা। রাস্তাঘাট জলমগ্ন হওয়ায় বিভিন্ন এলাকায় তৈরি হয়েছে দুর্যোগের পরিস্থিতি। এর মধ্যেই ধীরে ধীরে ঝাড়খণ্ডের দিকে এগোচ্ছে গভীর নিম্নচাপ।আবহাওয়া দফতরের সোমবার বিকেলের খবর অনুযায়ী, গভীর নিম্নচাপটি বর্তমানে কলকাতা থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিমে অবস্থান করছে। বর্ধমান থেকে সেটি প্রায় ৭০ কিলোমিটার দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্বে রয়েছে। বাঁকুড়া থেকে দূরত্ব প্রায় ১৪০ কিলোমিটার পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বে। ওড়িশার বালেশ্বর থেকে গভীর নিম্নচাপটি রয়েছে প্রায় ১৯০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব দিকে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গভীর নিম্নচাপটি ক্রমশ ঝাড়খণ্ড ও বিহারের দিকে এগিয়ে যেতে পারে। ফলে পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে বৃষ্টির প্রভাব আরও কিছুটা সময় থাকার আশঙ্কা রয়েছে।সোমবার পুরুলিয়া, বাঁকুড়া এবং পশ্চিম বর্ধমানে চরম বৃষ্টির লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এই তিন জেলায় ২০০ মিলিমিটার বা তারও বেশি বৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতেও অতি ভারী বৃষ্টির কমলা সতর্কতা রয়েছে। সেখানে ১১০ থেকে ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে।প্রবল বৃষ্টির জেরে ইতিমধ্যেই কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় জল জমেছে। রাস্তার পাশাপাশি নিচু এলাকাগুলিতেও জল ঢুকেছে। ফলে যান চলাচল ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি সমস্যায় পড়েছেন অফিসযাত্রী এবং অন্যান্য নিত্যযাত্রীরা।মঙ্গলবার পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। তবে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, পশ্চিম মেদিনীপুর, বীরভূম এবং ঝাড়গ্রামে ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা থাকবে। এই জেলাগুলির কিছু এলাকায় ৭০ থেকে ১১০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে।অর্থাৎ, গভীর নিম্নচাপটি বাংলার পশ্চিমাঞ্চল ছেড়ে ঝাড়খণ্ড ও বিহারের দিকে এগিয়ে গেলেও মঙ্গলবার পর্যন্ত তার প্রভাব পুরোপুরি কাটছে না। ফলে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা থাকা জেলাগুলির বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আগস্ট ১৭, ২০২৬
রাজ্য

বৃহস্পতিবারই ভয়ঙ্কর রূপ নেবে নিম্নচাপ! দক্ষিণবঙ্গে লাল সতর্কতা, কোথায় ২০০ মিলিমিটার বৃষ্টি?

সকাল থেকেই কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের আকাশের মুখ ভার। মহানগরের বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিও হয়েছে। এর মধ্যেই আরও শক্তিশালী হচ্ছে নিম্নচাপ। বৃহস্পতিবার তা গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। এর জেরে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় জারি করা হয়েছে লাল, কমলা ও হলুদ সতর্কতা।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, নিম্নচাপটি শক্তি বাড়িয়ে গাঙ্গেয় বঙ্গের উপর দিয়ে ঝাড়খণ্ডের দিকে এগোবে। মৌসুমী অক্ষরেখাও জামশেদপুর হয়ে কলকাতার উপর দিয়ে উত্তর বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপ ক্ষেত্র পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এই পরিস্থিতির জেরেই বৃহস্পতিবার দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির দাপট বাড়তে পারে।পশ্চিম মেদিনীপুর ও বাঁকুড়ায় বৃহস্পতিবার লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এই দুই জেলার কিছু এলাকায় ২০০ মিলিমিটার বা তারও বেশি বৃষ্টি হতে পারে। পুরুলিয়া, পূর্ব মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান এবং হুগলিতে অতিভারী বৃষ্টির জন্য কমলা সতর্কতা জারি হয়েছে। ওই জেলাগুলির কয়েকটি এলাকায় ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতেও ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা রয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরের কিছু এলাকায় ঘণ্টায় প্রায় ৫০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে। ফলে সমুদ্র ও উপকূলবর্তী এলাকায় পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।শুক্রবারও দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির দাপট থাকবে। পুরুলিয়ায় অতিভারী বৃষ্টির জন্য কমলা সতর্কতা জারি রয়েছে। বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমান ও বীরভূমে হলুদ সতর্কতা রয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরের কিছু এলাকায় ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে।দক্ষিণবঙ্গের অন্যান্য জেলাতেও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর।উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টির পরিস্থিতি চিন্তা বাড়াচ্ছে। দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও কালিম্পংয়ে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির জন্য হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।রবিবার থেকে পাহাড়ে বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার ও জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা রয়েছে। জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে অতিভারী বৃষ্টির জন্য কমলা সতর্কতাও জারি করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে সমুদ্র উত্তাল হওয়ার আশঙ্কায় ১৫ অগস্ট শনিবার পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করেছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। নিম্নচাপের গতিপথ ও শক্তি আরও বাড়ে কি না, এখন সেদিকেই নজর আবহাওয়াবিদদের।

আগস্ট ১৩, ২০২৬
রাজ্য

সকালের গরমের পর বদলাবে আবহাওয়া! কোন কোন জেলায় ঝেঁপে বৃষ্টি, জানাল আবহাওয়া দফতর

সকাল থেকেই রোদের তেজ আর ভ্যাপসা গরমে নাজেহাল ছিল রাজ্যবাসী। তবে এই অস্বস্তিকর আবহাওয়া বেশিক্ষণ থাকবে না বলেই জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। সক্রিয় মৌসুমি অক্ষরেখা এবং উত্তরবঙ্গ সংলগ্ন ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে আগামী কয়েক দিন রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গে বুধবার পর্যন্ত ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গেও ধীরে ধীরে বাড়বে বৃষ্টির দাপট।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কালিম্পং, কোচবিহার এবং উত্তর দিনাজপুর জেলায় অতি ভারী থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাহাড় এবং ডুয়ার্স এলাকায় ভারী বৃষ্টির কারণে ভূমিধস, নিচু এলাকা জলমগ্ন হওয়া এবং নদীর জলস্তর বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তিস্তা, তোর্সা, রাইডাক ও জলঢাকা নদীর জলস্তরও বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে আবহাওয়া দফতর। অতিবৃষ্টির জেরে কৃষিকাজেও প্রভাব পড়তে পারে।দক্ষিণবঙ্গে আজ এবং আগামীকাল পর্যন্ত বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, নদিয়া এবং মুর্শিদাবাদ জেলায় বৃষ্টির সঙ্গে ঘণ্টায় তিরিশ থেকে চল্লিশ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়াও বইতে পারে।বুধবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। বিশেষ করে বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং পূর্ব বর্ধমান জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে শনিবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির দাপট কিছুটা কমতে পারে।কলকাতায় আজ ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা কম। দিনের মধ্যে দু-এক পশলা হালকা বা ঝিরঝিরে বৃষ্টি হতে পারে। তবে বৃষ্টি না হলে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি বজায় থাকবে। বুধবার থেকে শুক্রবারের মধ্যে কলকাতায় মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়বে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।আজ কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল আটাশ দশমিক নয় ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল চৌত্রিশ দশমিক চার ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ছেষট্টি থেকে তিরানব্বই শতাংশ। ফলে বৃষ্টি না হলে গরম এবং অস্বস্তি দুই-ই বজায় থাকতে পারে।

আগস্ট ০৩, ২০২৬
রাজ্য

ফের বড় বিপদের ইঙ্গিত! উত্তরবঙ্গে কমলা সতর্কতা, কোন কোন জেলায় নামবে অতি ভারী বৃষ্টি?

বর্ষা কিছুটা দুর্বল হয়ে পড়েছিল। গত সপ্তাহে উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় বৃষ্টির পরিমাণও কমেছিল। তবে সেই বিরতি আর থাকছে না। নতুন করে সক্রিয় হয়েছে মৌসুমি পরিস্থিতি। তার জেরেই উত্তরবঙ্গে ফের অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করেছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। পাহাড় ও ডুয়ার্সের একাধিক জেলায় কমলা সতর্কতা জারি হয়েছে। একই সঙ্গে দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলাতেও বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, মৌসুমি অক্ষরেখা রাজস্থানের জয়সলমীর থেকে নিম্নচাপের এলাকা হয়ে মালদহ পেরিয়ে মণিপুর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এই কারণেই উত্তর ও দক্ষিণদুই বঙ্গেই বৃষ্টির অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। রবিবার থেকেই উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি এলাকায় বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে শুরু করবে। সোমবার থেকে আরও জোরালো বৃষ্টি হতে পারে বলে পূর্বাভাস।দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে অতি ভারী বৃষ্টির জন্য কমলা সতর্কতা জারি হয়েছে। উত্তর দিনাজপুরে রয়েছে ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা। সোমবারও এই পাঁচ জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে পাহাড়ি এলাকায় ধস, জল জমা এবং নদীর জলস্তর বৃদ্ধির আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছেন না আবহাওয়াবিদরা।দক্ষিণবঙ্গেও বৃষ্টির সম্ভাবনা বজায় রয়েছে। দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম এবং মুর্শিদাবাদে বজ্রবিদ্যুৎসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ঘণ্টায় তিরিশ থেকে চল্লিশ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়াও বইতে পারে। অন্যান্য জেলাতেও বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি হতে পারে।কলকাতায় আপাতত ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা কম। তবে দিনের বিভিন্ন সময়ে হালকা বা ঝিরঝিরে বৃষ্টি হতে পারে। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বুধবার থেকে মহানগরে আবার বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে। বৃষ্টি কম থাকায় বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ বেশি থাকবে এবং সেই কারণে অস্বস্তিকর গরমও অনুভূত হতে পারে।বর্তমানে বর্ষা সক্রিয় থাকায় আবহাওয়ার পরিবর্তন দ্রুত হচ্ছে। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গের বাসিন্দাদের আগামী কয়েকদিন সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। পাহাড়ে যাতায়াতের ক্ষেত্রেও বাড়তি সতর্কতা নেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে।

আগস্ট ০২, ২০২৬
রাজ্য

আবার বদলাচ্ছে আবহাওয়া! দক্ষিণে স্বস্তি, উত্তরবঙ্গে টানা ভারী বৃষ্টির বড় সতর্কতা

বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপ ধীরে ধীরে পশ্চিম দিকে সরে যাওয়ায় দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির দাপট অনেকটাই কমেছে। শুক্রবার কলকাতার কয়েকটি এলাকায় হালকা বৃষ্টি হলেও আগের মতো টানা বর্ষণের পরিস্থিতি নেই। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, নিম্নচাপের প্রভাব কমলেও আগামী কয়েক দিন বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি চলবে।দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জেলায় আপাতত ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা কম। আগামী কয়েক দিনে ঝড়বৃষ্টিরও বড় কোনও সতর্কতা নেই। তবে কোথাও কোথাও স্বল্প সময়ের জন্য মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। মঙ্গলবার থেকে বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। বিশেষ করে বীরভূম ও মুর্শিদাবাদ জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি পূর্ব বর্ধমান, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরেও কিছু এলাকায় ভারী বৃষ্টি হতে পারে।অন্যদিকে উত্তরবঙ্গে আগামী কয়েক দিন বৃষ্টির দাপট বজায় থাকবে। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। রবিবার থেকে বুধবার পর্যন্ত জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারে টানা বৃষ্টি হতে পারে। দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ের পার্বত্য এলাকাতেও প্রবল বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। পাশাপাশি মঙ্গলবার ও বুধবার উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদহ জেলাতেও বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে।আবহাওয়াবিদদের মতে, দক্ষিণবঙ্গে বড় ধরনের দুর্যোগের আশঙ্কা আপাতত না থাকলেও উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ভারী বৃষ্টির কারণে স্থানীয় জল জমা, পাহাড়ি এলাকায় ধস এবং নদীর জলস্তর বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। তাই সংশ্লিষ্ট জেলার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আগস্ট ০১, ২০২৬
রাজ্য

উত্তরবঙ্গে বড় দুর্যোগের আশঙ্কা! দুই জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা, কবে ভিজবে কলকাতা?

উত্তরবঙ্গে আপাতত বৃষ্টির দাপট কমার কোনও লক্ষণ নেই। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, শুক্রবার এবং শনিবার উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। রবিবার ও সোমবার আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়ি জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির জন্য কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ভারী বৃষ্টির কারণে পাহাড়ি এলাকায় ধস নামতে পারে বলেও সতর্ক করেছে হাওয়া অফিস।দক্ষিণবঙ্গে আপাতত বৃষ্টির পরিমাণ তুলনামূলক কম থাকবে। শুক্রবার কয়েকটি জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া এবং উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনায় হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। শনিবার থেকে সোমবার পর্যন্ত বৃষ্টির পরিমাণ আরও কমতে পারে। তবে মঙ্গলবার থেকে আবার বৃষ্টির দাপট বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে বীরভূম ও মুর্শিদাবাদে ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা জারি হয়েছে।আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, উত্তর দিনাজপুর, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। রবিবার দার্জিলিং, কালিম্পং এবং কোচবিহারেও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। অতিবৃষ্টির জেরে পাহাড়ি এলাকায় ধস নামার পাশাপাশি নিচু এলাকা জলমগ্ন হতে পারে। তিস্তা, তোর্সা ও জলঢাকা নদীর জলস্তরও বাড়তে পারে। কৃষিজমির ক্ষতির আশঙ্কাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না আবহাওয়াবিদরা।কলকাতায় শনিবার থেকে সোমবার পর্যন্ত মূলত হালকা বা বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও অল্প সময়ের জন্য বৃষ্টি হলেও ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা কম। তবে মঙ্গলবার থেকে শহরেও বৃষ্টি বাড়তে পারে। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকায় আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি বজায় থাকবে। শুক্রবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২১ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

জুলাই ৩১, ২০২৬
রাজ্য

আজও বৃষ্টির দাপট দক্ষিণবঙ্গে, ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা মেদিনীপুরে; উত্তরবঙ্গেও বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টি

নিজস্ব সংবাদদাতা, কলকাতা, ২৫ জুলাই: বর্ষার সক্রিয় পরিস্থিতির জেরে আজও বৃষ্টিতে ভিজতে পারে পশ্চিমবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকা। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, শনিবার দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সমস্ত জেলাতেই হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি অথবা বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও ভারী বৃষ্টিও হতে পারে। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই আজ বিক্ষিপ্তভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি এবং এক-দুটি জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, দক্ষিণবঙ্গের অধিকাংশ জেলাতেই আজ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি বা বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে। পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার এক-দুটি জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। সেখানে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় প্রায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছতে পারে। দক্ষিণবঙ্গের অন্যান্য জেলাতেও বজ্রপাত ও ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যেখানে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার হতে পারে।আজ দক্ষিণবঙ্গের এক-দুটি জায়গায় ভারী বৃষ্টি, অর্থাৎ ৭ থেকে ১১ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন শহর ও গ্রামীণ এলাকায় সাময়িক জল জমার আশঙ্কা রয়েছে। নিচু এলাকা, রাস্তা ও আন্ডারপাসে জল জমে যান চলাচলে সমস্যা তৈরি হতে পারে।২৬ জুলাই আরও বাড়বে বৃষ্টির তীব্রতাআবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, রবিবার দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। পূর্ব মেদিনীপুর ও পশ্চিম মেদিনীপুরের এক-দুটি জায়গায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি, অর্থাৎ ৭ থেকে ২০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, ঝাড়গ্রাম ও বাঁকুড়াতেও এক-দুটি জায়গায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। অন্যান্য জেলাতেও বজ্রপাত ও ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে।উত্তরবঙ্গেও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনাউত্তরবঙ্গের ক্ষেত্রেও আজ আবহাওয়া পুরোপুরি শুকনো থাকার সম্ভাবনা নেই। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর ও মালদহসমস্ত জেলাতেই বিক্ষিপ্তভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। এক-দুটি জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে।তবে আগামী কয়েকদিনে উত্তরবঙ্গের বৃষ্টির প্রবণতা ধীরে ধীরে বাড়তে পারে। ২৭ জুলাই দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও কালিম্পংয়ে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ২৮ ও ২৯ জুলাই দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কালিম্পংয়ে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। ৩০ জুলাইও উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।২৭ জুলাই থেকে ফের ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনাদক্ষিণবঙ্গেও আগামী কয়েকদিন বর্ষার প্রভাব বজায় থাকবে। ২৭ জুলাই দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এরপর ২৮ থেকে ৩০ জুলাই পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি বা বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।আবহাওয়া দফতরের বর্ধিত পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২৪ থেকে ৩০ জুলাই পর্যন্ত উত্তর ও দক্ষিণদুই বঙ্গেই বিস্তীর্ণ এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি বা বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে। এই সময়ে দক্ষিণবঙ্গের কিছু জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরবঙ্গেও সপ্তাহের দ্বিতীয়ার্ধে কিছু জায়গায় ভারী বৃষ্টি হতে পারে।সতর্ক থাকার পরামর্শবৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত ও দমকা হাওয়ার সম্ভাবনা থাকায় সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে বজ্রপাতের সময় খোলা মাঠ, জলাশয় বা গাছের নিচে না থাকার পরামর্শ রয়েছে। ভারী বৃষ্টির সময় অপ্রয়োজনে বাইরে বের না হওয়াই নিরাপদ।টানা বৃষ্টির জেরে নিচু এলাকায় জল জমা, কাঁচা রাস্তার ক্ষতি এবং দুর্বল বাড়িঘরের ক্ষতির আশঙ্কাও রয়েছে। কৃষকদেরও জমিতে জল জমার পরিস্থিতির দিকে নজর রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।সব মিলিয়ে, আজ দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টি তুলনামূলকভাবে বেশি বিস্তৃত হলেও আগামী ২৬ জুলাই পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা বিশেষ নজরে রয়েছে। উত্তরবঙ্গে আজ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হলেও আগামী ২৭ জুলাই থেকে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও কালিম্পং-সহ পাহাড় ও ডুয়ার্স এলাকায় বৃষ্টির দাপট বাড়তে পারে।

জুলাই ২৫, ২০২৬
রাজ্য

আজ ভাসবে বাংলা? ১১ জেলায় ভারী বৃষ্টির সতর্কতা, কলকাতায় কেমন থাকবে আবহাওয়া

সকাল থেকেই দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি শুরু হয়েছে। কলকাতায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। বুধবার রাজ্যের ১১টি জেলায় ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে।ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে নদিয়া, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং এবং আলিপুরদুয়ার জেলায়। শুক্রবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গে বিক্ষিপ্ত ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। শনিবার থেকে বৃষ্টির দাপট কিছুটা কমতে পারে।আবহাওয়া দফতরের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে মৌসুমি অক্ষরেখা রাজস্থান থেকে দিঘা হয়ে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণাবর্ত সক্রিয় রয়েছে। সেই ঘূর্ণাবর্ত থেকে আরব সাগর পর্যন্ত একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখাও বিস্তৃত হয়েছে। এই কারণেই রাজ্যে বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়ছে।বৃহস্পতিবার উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা থাকবে। শুক্রবার দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, হাওড়া এবং বাঁকুড়া জেলায় হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। শনিবার বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হলেও বৃষ্টির পরিমাণ কমবে। রবিবার ও সোমবার দক্ষিণবঙ্গে কোনও বিশেষ সতর্কতা নেই।কলকাতায় বুধবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৭.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মঙ্গলবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩০.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগামী ২৪ ঘণ্টায় শহরের তাপমাত্রা ২৬ থেকে ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকতে পারে।উত্তরবঙ্গে আপাতত বৃষ্টি কিছুটা কমলেও রবিবার থেকে আবার বৃষ্টি বাড়বে। বুধবার ও বৃহস্পতিবার মালদহ, উত্তর দিনাজপুর এবং দক্ষিণ দিনাজপুরে বজ্রবিদ্যুৎসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা রয়েছে। শুক্রবার ও শনিবার উত্তরবঙ্গে কোনও সতর্কতা নেই। তবে রবিবার থেকে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

জুলাই ২২, ২০২৬
রাজ্য

আবার ভাসবে বাংলা! ঘূর্ণাবর্তের দাপটে আজ থেকেই ভারী বৃষ্টির সতর্কতা

নতুন সপ্তাহের শুরুতেই ফের বৃষ্টির মুখে বাংলা। ঘূর্ণাবর্ত ও দুর্বল নিম্নচাপের প্রভাবে আজ থেকে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টির দাপট অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।জুলাই মাসের শুরুতে নিম্নচাপের প্রভাবে উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকা ভেসেছিল বৃষ্টিতে। গত সপ্তাহে কিছুটা বিরতি মিললেও আবার নতুন করে সক্রিয় হয়েছে বৃষ্টি। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, নিম্নচাপ দুর্বল হলেও ঘূর্ণাবর্ত এখনও সক্রিয় রয়েছে। সাগর থেকে প্রচুর জলীয় বাষ্প স্থলভাগে ঢুকছে, যার ফলে বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়ছে।আজ দক্ষিণবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং নদিয়ায় ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বুধবার দুই ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর এবং হাওড়ায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বৃহস্পতিবার উপকূলবর্তী ও পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর।কলকাতাতেও সপ্তাহ জুড়ে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কখনও মাঝারি, কখনও হালকা বৃষ্টি হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের পাঁচ জেলাদার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে আজ কমলা সতর্কতা জারি রয়েছে। সেখানে মাঝারি থেকে ভারী, কোথাও কোথাও অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামীকাল থেকে উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমতে পারে।

জুলাই ২০, ২০২৬
রাজ্য

আকাশ কালো, থামছেই না বৃষ্টি! দক্ষিণবঙ্গে ভিজবে আরও, উত্তরবঙ্গে লাল সতর্কতায় আতঙ্ক

সকাল থেকেই কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের আকাশ কালো মেঘে ঢাকা। বিভিন্ন জেলায় চলছে বৃষ্টি। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, রবিবার দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও দমকা হাওয়া বইতে পারে।আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, নিম্নচাপ কিছুটা দুর্বল হলেও তার প্রভাব এখনও পুরোপুরি কাটেনি। একটি ঘূর্ণাবর্ত সক্রিয় রয়েছে। সাগর থেকে প্রচুর জলীয় বাষ্প স্থলভাগে প্রবেশ করছে। সেই কারণেই উত্তরবঙ্গে ভারী বৃষ্টির পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার ও কালিম্পং জেলায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, একদিনে ২০০ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টি হতে পারে। কোচবিহারে রবিবার কমলা সতর্কতা জারি রয়েছে। সোমবার সকাল পর্যন্ত এই জেলাগুলিতে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।দক্ষিণবঙ্গেও বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি চলবে। মঙ্গলবার দুই ২৪ পরগনা ও নদিয়ায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বুধবার দুই ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর ও হাওড়ায় ভারী বৃষ্টি হতে পারে। বৃহস্পতিবারও কয়েকটি জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। তবে কলকাতার জন্য আপাতত আলাদা কোনও সতর্কতা জারি করা হয়নি।এদিকে, টানা বৃষ্টির জেরে জলমগ্ন হয়ে পড়েছে ধূপগুড়ি শহর। পৌরসভার ১৬টি ওয়ার্ডের বহু নিচু এলাকায় জল জমেছে। একাধিক বাড়িতে বৃষ্টির জল ঢুকে পড়েছে। নোংরা ড্রেনের জল মাড়িয়ে যাতায়াত করতে বাধ্য হচ্ছেন সাধারণ মানুষ।

জুলাই ১৯, ২০২৬
রাজ্য

ফের ধেয়ে আসছে প্রবল বৃষ্টি! কোন কোন জেলায় অতি ভারী বর্ষণের সতর্কতা, জানাল আবহাওয়া দফতর

নিম্নচাপের প্রভাব এখনও পুরোপুরি কাটেনি। গত সপ্তাহে টানা ভারী বৃষ্টির পর ফের নতুন করে বৃষ্টির সতর্কবার্তা জারি করল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় হলুদ সতর্কতা জারি হয়েছে। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের কয়েকটি জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির আশঙ্কায় কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। শনিবার, রবিবার এবং সোমবার পর্যন্ত কয়েকটি এলাকায় প্রবল বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।আজ শুক্রবার পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। নিম্নচাপের প্রভাব কমে গেলে এই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হবে।শুক্রবার পুরুলিয়া, বাঁকুড়া এবং ঝাড়গ্রামে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এই জেলাগুলিতে বজ্রবিদ্যুৎসহ মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি এবং ঘণ্টায় প্রায় পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ চব্বিশ পরগনাতেও বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। কলকাতাসহ দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতেও বজ্রবিদ্যুৎসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে।শনিবার বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম এবং দক্ষিণ চব্বিশ পরগনায় ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে রবিবার এবং সোমবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।উত্তরবঙ্গে পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শনিবার জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারে অতি ভারী বৃষ্টির জন্য কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। রবিবার দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়িতে দুইশো মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে। সোমবার পর্যন্ত এই বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকবে।অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি এলাকায় নতুন করে ভূমিধসের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। নদীর জলস্তরও দ্রুত বাড়তে পারে। কয়েকটি নদী বিপদসীমার কাছাকাছি বা তার উপরে পৌঁছে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।শুক্রবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল সাতাশ দশমিক আট ডিগ্রি সেলসিয়াস। বৃহস্পতিবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল বত্রিশ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ছিয়াত্তর থেকে ছিয়ানব্বই শতাংশ।

জুলাই ১৭, ২০২৬
রাজ্য

ঘন কালো মেঘে ঢাকল আকাশ! কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই প্রবল বৃষ্টির আশঙ্কা, সতর্ক একাধিক জেলা

সকাল থেকেই দক্ষিণবঙ্গের আকাশে কালো মেঘের আনাগোনা। এখনও সব জায়গায় বৃষ্টি শুরু না হলেও যে কোনও সময় নামতে পারে জোর বৃষ্টি। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, উত্তর বাংলাদেশ এবং উত্তর-পশ্চিম বিহারে তৈরি হওয়া জোড়া ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে।আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, কলকাতা ও হাওড়ায় আজ ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পূর্ব বর্ধমান ও মুর্শিদাবাদ জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা করা হয়েছে। এছাড়া হুগলি, উত্তর চব্বিশ পরগনা, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, বীরভূম এবং নদিয়াতেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। প্রয়োজনে স্থানীয় এলাকায় জল জমা এবং যান চলাচলে সমস্যা তৈরি হতে পারে।উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। বিশেষ করে পাহাড়ি এলাকায় বৃষ্টির দাপট আরও বাড়তে পারে। আগামী কয়েক দিন দফায় দফায় বৃষ্টি চলার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।রাতভর ভারী বৃষ্টির জেরে উত্তরবঙ্গের একাধিক এলাকায় জল বেড়েছে। তিস্তা নদীর জল উঠে এসেছে রাস্তায়। এর ফলে দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত হয়েছে। তিস্তাবাজার এলাকায় জল নামার অপেক্ষায় রয়েছে প্রশাসন। পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

জুলাই ১৩, ২০২৬
রাজ্য

বুধবার স্বস্তি, কিন্তু রথের দিনই বাড়বে দুর্যোগ! আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বাড়ল দুশ্চিন্তা

রথযাত্রার আগে ফের বৃষ্টির দাপট বাড়তে চলেছে বাংলায়। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ঝড়-বৃষ্টি চলবে আগামী কয়েক দিন। বুধবার বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমলেও, বৃহস্পতিবার অর্থাৎ রথযাত্রার দিন ফের বৃষ্টি বাড়তে পারে। একই সঙ্গে উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় অতিভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে।আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, উত্তর বাংলাদেশ এবং উত্তর-পশ্চিম বিহারে দুটি ঘূর্ণাবর্ত সক্রিয় রয়েছে। বিহার থেকে বাংলাদেশ পর্যন্ত একটি অক্ষরেখা তৈরি হয়েছে। সেই সঙ্গে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের উপর মৌসুমি অক্ষরেখাও সক্রিয় থাকায় দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ঝড়-বৃষ্টির অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।রবিবার মুর্শিদাবাদ ও নদিয়ায় ভারী বৃষ্টির জন্য হলুদ সতর্কতা জারি হয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের অন্যান্য জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার ও মঙ্গলবারও একাধিক জেলায় ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। বুধবার কিছুটা স্বস্তি মিললেও বৃহস্পতিবার রথযাত্রার দিন ফের বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে। ওই দিন উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, হাওড়া, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কলকাতাতেও মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। শুক্রবার দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।কলকাতায় রবিবার আকাশ আংশিক মেঘলা থাকবে। হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার বৃষ্টি কিছুটা বাড়তে পারে। মঙ্গলবার ও বুধবার তুলনামূলকভাবে বৃষ্টি কম থাকবে। তবে বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার আবারও বৃষ্টির দাপট বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়িতে অতিভারী বৃষ্টির জন্য কমলা সতর্কতা জারি হয়েছে। মালদহ, উত্তর দিনাজপুর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা রয়েছে। মঙ্গলবার পর্যন্ত এই পরিস্থিতি বজায় থাকতে পারে। অতিভারী বৃষ্টির জেরে পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধস, নদীর জলস্তর বৃদ্ধি এবং নিচু এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বুধবার ও বৃহস্পতিবার উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।

জুলাই ১২, ২০২৬
রাজ্য

জলমগ্ন কলকাতা, ফুঁসছে নদী, উত্তাল সমুদ্র! বাংলাজুড়ে বাড়ছে দুর্যোগের আশঙ্কা

রাতভর প্রবল বৃষ্টিতে কার্যত ভিজেছে কলকাতা-সহ গোটা দক্ষিণবঙ্গ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর থেকেই শুরু হওয়া বৃষ্টি গভীর রাত পর্যন্ত চলেছে। শুক্রবার সকালেও কলকাতা এবং আশপাশের জেলায় একইভাবে বৃষ্টির দাপট বজায় রয়েছে। একাধিক এলাকায় জল জমতে শুরু করেছে। ফলে সকাল থেকেই যান চলাচলে সমস্যার মুখে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এখনই বৃষ্টি থামার কোনও সম্ভাবনা নেই। বাংলাদেশ এবং সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের উপর তৈরি হওয়া শক্তিশালী ঘূর্ণাবর্ত এবং সক্রিয় মৌসুমি অক্ষরেখার প্রভাবে আগামী কয়েক দিন দক্ষিণবঙ্গজুড়ে বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। সঙ্গে দমকা ঝোড়ো হাওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।শুক্রবার কলকাতা, হাওড়া, হুগলি এবং পূর্ব বর্ধমানে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে। শনিবার পূর্ব বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়াতেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। একই সঙ্গে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া এবং ঝাড়গ্রামেও দফায় দফায় বৃষ্টি চলবে বলে পূর্বাভাস।শুক্রবার সকাল পর্যন্ত দমদমে প্রায় সাতানব্বই মিলিমিটার এবং আলিপুরে প্রায় সাঁইত্রিশ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। উত্তরবঙ্গেও প্রবল বর্ষণ চলছে। কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ারে অতি ভারী বৃষ্টি হয়েছে, যার ফলে একাধিক এলাকায় জল জমেছে।কলকাতার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ইতিমধ্যেই জল জমতে শুরু করেছে। ঠনঠনিয়া কালীবাড়ি, হলদিরাম মোড় এবং সেক্টর পাঁচ মেট্রো সংলগ্ন এলাকায় জল জমায় যান চলাচল ধীর হয়ে পড়েছে। যদিও এখনও বড় ধরনের জলাবদ্ধতার খবর নেই, তবে দিনের মধ্যে পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।উপকূলবর্তী এলাকাগুলির জন্যও বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আগামী বারো জুলাই পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। দিঘা, দিঘা মোহনা, মন্দারমণি-সহ বিভিন্ন উপকূল এলাকায় পুলিশ মাইকিং করে সতর্ক করছে। সমুদ্র উত্তাল হয়ে জলোচ্ছ্বাসের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলেও জানানো হয়েছে। পর্যটক এবং স্থানীয় বাসিন্দাদেরও অপ্রয়োজনীয়ভাবে সমুদ্রের কাছে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে, টানা বৃষ্টিতে সুবর্ণরেখা নদীর জল দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় ঝাড়গ্রামের নয়াগ্রাম ব্লকের একাধিক এলাকা কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। দেউলবাড় এবং গড়ধরা গ্রামের সংযোগকারী সেতু জলের তলায় চলে যাওয়ায় মানুষের যাতায়াত এখন নৌকার উপর নির্ভর করছে। এতে সাধারণ মানুষ, পড়ুয়া, কৃষক এবং ব্যবসায়ীদের চরম সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।অজয় নদীর জলও ক্রমশ বাড়ছে। নদীর বাঁধের একাধিক অংশ দুর্বল হয়ে পড়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে নতুন করে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। প্রতি বছর বর্ষায় এই এলাকায় প্লাবনের সমস্যা দেখা দেয়। এবারও একই পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বাসিন্দারা।

জুলাই ১০, ২০২৬
রাজ্য

আজও রেহাই নেই! বাংলার এই জেলাগুলিতে ভয়াবহ বৃষ্টির সতর্কতা, জারি লাল সতর্কবার্তা

নিম্নচাপের প্রভাব অনেকটাই কমলেও আজও বাংলার বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলাতেও বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।গত সপ্তাহে নিম্নচাপের জেরে রাজ্যজুড়ে ভালো বৃষ্টি হয়েছে। তার ফলে জুন মাসে বর্ষার যে ঘাটতি তৈরি হয়েছিল, তার অনেকটাই পূরণ হয়েছে। দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির ঘাটতি কমলেও এখনও কয়েকটি জেলায় বর্ষার ঘাটতি রয়ে গেছে। আবহাওয়া দফতরের মতে, আগামী কয়েক দিনের বৃষ্টিতে সেই ঘাটতিও আরও কমতে পারে।উত্তরবঙ্গে আজ দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ার জেলায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এই জেলাগুলিতে চরম ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও চব্বিশ ঘণ্টায় দুইশো মিলিমিটারেরও বেশি বৃষ্টি হতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। কালিম্পং এবং কোচবিহারে জারি হয়েছে কমলা সতর্কতা। এছাড়াও উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদহ জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।আগামীকালও পাহাড় এবং ডুয়ার্সে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। টানা বৃষ্টির জেরে পাহাড়ে ধস নামার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি পাহাড়ি নদীগুলিতে হড়পা বানের ঝুঁকিও রয়েছে। তাই স্থানীয় বাসিন্দা এবং পর্যটকদের অপ্রয়োজনে পাহাড়ি নদী ও ঝরনার ধারে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, পরিস্থিতির উপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে। প্রয়োজন হলে আরও সতর্কবার্তা জারি করা হতে পারে।

জুলাই ০৮, ২০২৬
রাজ্য

এবার আর রক্ষা নেই! নিম্নচাপের দাপটে বাংলায় প্রবল বৃষ্টির সতর্কতা, কোন কোন জেলা সবচেয়ে ঝুঁকিতে?

জুন মাসে বৃষ্টির ঘাটতি থাকলেও জুলাইয়ের শুরুতেই বদলে গেল আবহাওয়ার ছবি। বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপের প্রভাবে শুক্রবার থেকেই দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় প্রবল বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী সোমবার পর্যন্ত ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে। এর সঙ্গে ঘণ্টায় পঞ্চাশ থেকে ষাট কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া এবং বজ্রবিদ্যুতেরও আশঙ্কা রয়েছে।শুক্রবার সকাল থেকেই কলকাতা ও সংলগ্ন জেলাগুলিতে আকাশ মেঘে ঢেকে যায়। ভোর থেকেই বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি শুরু হয়েছে। উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে নিম্নচাপের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, হুগলি, পূর্ব মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া এবং ঝাড়গ্রামে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও একদিনে প্রায় দুইশো মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে বলেও পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। রবিবার কলকাতার জন্যও ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে।এই বৃষ্টি একদিকে কৃষকদের জন্য স্বস্তির খবর নিয়ে এলেও অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়তে পারে। নিচু এলাকায় জল জমার আশঙ্কা রয়েছে। পাশাপাশি বজ্রবিদ্যুৎসহ ঝড়ো হাওয়ার কারণে দৈনন্দিন জীবনও ব্যাহত হতে পারে।নিম্নচাপের প্রভাবে সমুদ্রও উত্তাল হয়ে উঠতে পারে। সেই কারণে শুক্রবার থেকে মৎস্যজীবীদের গভীর সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। সুন্দরবন উপকূল এলাকায় পুলিশ ইতিমধ্যেই মাইকিং করে সতর্কবার্তা দিতে শুরু করেছে। যাঁরা আগে থেকেই মাছ ধরতে গিয়েছিলেন, তাঁদের দ্রুত নিরাপদে ফিরে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে, ভারী বৃষ্টির জেরে নদীভাঙনের আশঙ্কাও বাড়ছে। বালুরঘাটের আত্রেয়ী নদীর জলস্তর বেড়ে যাওয়ায় ডাঙ্গি এলাকার নদীতীরে নতুন করে ভাঙন শুরু হয়েছে। নদীগর্ভে তলিয়ে যাচ্ছে বনাঞ্চলের একের পর এক গাছ। স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা না নেওয়া হলে আগামী দিনে বাড়িঘর, চাষের জমি এবং বনাঞ্চলের বড় অংশ নদীতে বিলীন হয়ে যেতে পারে।আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, আগামী মঙ্গলবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির দাপট কিছুটা কমতে পারে। তবে একই সময়ে উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

জুলাই ০৩, ২০২৬
কলকাতা

কালো মেঘে ঢাকল আকাশ, বজ্রপাতের দাপট! আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বড় সতর্কবার্তা

দুপুর গড়াতেই কালো মেঘে ঢেকে গেল কলকাতার আকাশ। দিনের আলো ম্লান হয়ে অনেকটাই রাতের আবহ তৈরি হয় শহরে। তারপরই শুরু হয় বৃষ্টি। সঙ্গে ছিল ঘন ঘন বজ্রপাত এবং ঝোড়ো হাওয়া। শুধু কলকাতাই নয়, সংলগ্ন একাধিক জেলাতেও বৃষ্টির খবর মিলেছে। আবহাওয়া দপ্তর আগেই বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছিল। সেই পূর্বাভাস মেনেই বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে আবহাওয়ার বড় পরিবর্তন দেখা গেল।কয়েক দিন আগেই প্রবল বৃষ্টিতে কলকাতার একাধিক এলাকা জলমগ্ন হয়েছিল। সেই পরিস্থিতির রেশ কাটতে না কাটতেই ফের বৃষ্টি শুরু হওয়ায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, ঝাড়খণ্ড হয়ে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ এবং ওড়িশার উপর একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা বিস্তৃত রয়েছে। এর প্রভাবে আগামী সোমবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিভিন্ন জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে। বজ্রপাতের সময় নিরাপদ স্থানে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টির দাপট অব্যাহত রয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহার জেলায় কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সপ্তাহের শেষে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশেষ করে জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ার জেলায় অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।পাহাড়ি এলাকাগুলিতে ভূমিধসের আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তাই প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজন ছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আবহাওয়ার এই পরিবর্তনের দিকে নজর রাখছেন বিশেষজ্ঞরাও।

জুন ২৫, ২০২৬
রাজ্য

গরম থেকে স্বস্তি মিলতেই নতুন সতর্কতা! দক্ষিণবঙ্গে ঝড়-বৃষ্টির দাপট আরও বাড়বে

ভ্যাপসা গরমে দীর্ঘদিন নাজেহাল থাকার পর অবশেষে স্বস্তির বৃষ্টি পেয়েছে দক্ষিণবঙ্গ। শুক্রবার কলকাতাসহ দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই ঝড়-বৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে তাপমাত্রা কিছুটা কমেছে এবং আবহাওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে। তবে আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিনও বৃষ্টি চলবে।আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, যোগ দিবসেও কলকাতায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও এই বৃষ্টি বড় কোনও কর্মসূচিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে না বলেই মনে করা হচ্ছে। তবু আকাশ মেঘলা থাকবে এবং কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে।এদিকে ঝাড়খণ্ড সংলগ্ন এলাকায় বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরি হওয়ায় পশ্চিমাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা অনেকটাই বেড়েছে। পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান এবং বীরভূম জেলায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ প্রবল ঝড় ও বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। আবহাওয়া দফতর সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে।পূর্ব বর্ধমান, হুগলি, ঝাড়গ্রাম এবং পশ্চিম মেদিনীপুরেও কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এই জেলাগুলিতেও দমকা হাওয়া, বজ্রপাত এবং মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।অন্যদিকে উত্তরবঙ্গে এখনও বৃষ্টির দাপট অব্যাহত রয়েছে। জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ার জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির জন্য লাল সতর্কতা জারি হয়েছে। প্রবল বৃষ্টির কারণে পাহাড়ি এলাকায় ধসের আশঙ্কাও রয়েছে। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।রবিবার দার্জিলিং এবং কালিম্পং জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির কমলা সতর্কতা থাকবে। তবে আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, সোমবারের পর থেকে উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির তীব্রতা ধীরে ধীরে কমতে পারে।এছাড়াও রবিবার উত্তর চব্বিশ পরগনা, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, পূর্ব বর্ধমান, নদিয়া, হুগলি এবং হাওড়া জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ঘণ্টায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী কয়েক দিন বাংলার বিভিন্ন জেলায় দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া বজায় থাকবে। তাই প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না বেরোনো এবং বজ্রপাতের সময় নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জুন ২০, ২০২৬
রাজ্য

চার দিনেই বদলে যেতে পারে পরিস্থিতি! উত্তরবঙ্গে জারি ভয়াবহ বৃষ্টির সতর্কতা

দক্ষিণবঙ্গে আকাশ মেঘলা থাকলেও উত্তরবঙ্গে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে টানা বৃষ্টি চলছে। এবার সেই পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হতে পারে বলে জানাল আবহাওয়া দফতর। আগামী চার দিন উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাহাড়ে ধস, হড়পা বান এবং নদীর জলস্ফীতির আশঙ্কায় জারি করা হয়েছে বিশেষ সতর্কতা।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়িতে আগামী কয়েক দিন ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে। কিছু এলাকায় বৃষ্টির পরিমাণ অত্যন্ত বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে পাহাড়ি এলাকায় নতুন করে ধস নামার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।ইতিমধ্যেই দশ নম্বর জাতীয় সড়কের বিভিন্ন অংশে ধসের খবর পাওয়া গিয়েছে। পাশাপাশি দুধিয়া সেতুর অস্থায়ী বিকল্প পথের একটি অংশও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে প্রশাসনের উদ্বেগ আরও বেড়েছে।আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, সিকিম, দার্জিলিং এবং কালিম্পংয়ে আগামী চার দিন কমলা সতর্কতা জারি রয়েছে। পাহাড়ি নদী এবং ঝরনার আশপাশে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কারণ প্রবল বৃষ্টির জেরে হঠাৎ হড়পা বানের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।ডুয়ার্স অঞ্চলেও বৃষ্টির দাপট বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ার জেলায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। কোচবিহারেও বিশেষ সতর্কতা রয়েছে। আবহাওয়া দফতরের আশঙ্কা, কিছু এলাকায় এক দিনে দুইশো মিলিমিটারেরও বেশি বৃষ্টিপাত হতে পারে।বিশেষজ্ঞদের মতে, ভুটান থেকে নেমে আসা জল এবং স্থানীয় বৃষ্টির কারণে উত্তরবঙ্গের একাধিক নদীর জলস্তর দ্রুত বাড়তে পারে। এর ফলে নিচু এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।এদিকে প্রবল বৃষ্টি, ধস এবং রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে সমস্যায় পড়েছেন বহু পর্যটক। তাঁদের জন্য ইতিমধ্যেই বিশেষ সহায়তা ব্যবস্থা চালু করেছে রাজ্য সরকার। প্রশাসনের তরফে পরিস্থিতির উপর সার্বক্ষণিক নজর রাখা হচ্ছে।উত্তরবঙ্গের সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য উচ্চপর্যায়ের বৈঠকও হয়েছে। সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন এবং বিভিন্ন দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আগামী কয়েক দিন উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া আরও প্রতিকূল হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাই অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়িয়ে চলা এবং প্রশাসনের নির্দেশ মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জুন ১৯, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

যুবভারতীতে লাল-হলুদ ঝড়, বাগানকে উড়িয়ে ২২ বছর পর ডুরান্ড ইস্টবেঙ্গলের

২২ বছরের অপেক্ষার অবসান। কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে ফের ট্রফি ঘরে তুলল ইস্টবেঙ্গল। ডার্বির মঞ্চে এমন একতরফা জয় যে লাল-হলুদ সমর্থকদের কাছেও ছিল প্রায় অবিশ্বাস্য। আর সেই জয়ের কেন্দ্রে একটাই নামএডমুন্ড লালরিনডিকা। দুরন্ত হ্যাটট্রিক করে তিনিই হয়ে উঠলেন রাতের নায়ক।গ্রুপ পর্বে মোহনবাগানের কাছে হারের যন্ত্রণা ছিল ইস্টবেঙ্গলের। ফাইনালের মঞ্চে সেই হারের জবাব দেওয়ার সুযোগও ছিল। কিন্তু জবাবটা যে এতটা নির্মম হবে, তা সম্ভবত কেউই ভাবেননি। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণের ঝড় তুলে মাত্র ২২ মিনিটের মধ্যেই তিন গোল করে ইস্টবেঙ্গল কার্যত ম্যাচের ভাগ্য লিখে ফেলে।শুরুটা করেন বিপিন সিংহ। মোহনবাগানের রক্ষণ তখনও নিজেদের মধ্যে সামলে ওঠার চেষ্টা করছে। সেই সুযোগেই ইস্টবেঙ্গলের আক্রমণ পৌঁছে যায় বিপজ্জনক জায়গায়। বিপিনের গোলের পর আরও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে লাল-হলুদ আক্রমণ। মুহূর্তের মধ্যে জোড়া গোল করে ব্যবধান বাড়িয়ে দেন এডমুন্ড।৩-০ পিছিয়ে গিয়ে মোহনবাগান কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছিল। মনবীর সিংহ ব্যক্তিগত দক্ষতায় একটি গোল শোধও করেন। কিন্তু সেই প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনাও বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই ফের গোল করে নিজের হ্যাটট্রিক সম্পূর্ণ করেন এডমুন্ড। এক ফাইনালের প্রথমার্ধেই চার গোলতার মধ্যে তিনটি একই ফুটবলারের! যুবভারতীর গ্যালারিতে তখন কার্যত লাল-হলুদ উৎসব।দ্বিতীয়ার্ধে মোহনবাগান ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করলেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি ছিল ইস্টবেঙ্গলের হাতে। সবুজ-মেরুন আক্রমণে সেই ধার দেখা যায়নি, যা একটি ডার্বি ফাইনালে প্রত্যাশিত। বরং ইস্টবেঙ্গল সুযোগ পেলেই দ্রুত আক্রমণে উঠে এসেছে এবং আরও গোলের সম্ভাবনা তৈরি করেছে। শেষ পর্যন্ত ৪-১ স্কোরলাইনেই শেষ হয় ম্যাচ।ইস্টবেঙ্গলের সাফল্যের অন্যতম বড় কারণ ছিল দলের সামগ্রিক সংগঠন। মাঝমাঠে মহম্মদ রশিদ ছিলেন অসাধারণ। বল নিয়ন্ত্রণ, পাসিং এবং খেলা পরিচালনায় বারবার তিনি মোহনবাগানের ছন্দ নষ্ট করেছেন। তাঁর সঙ্গে জিকসন সিংহ, আনোয়ার আলি এবং জয় গুপ্তারাও নিজেদের দায়িত্ব নিখুঁত ভাবে পালন করেন।অন্যদিকে মোহনবাগানের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হয়ে দাঁড়ায় রক্ষণ। শুভাশিস বসু, আলবের্তো রদ্রিগেজ়দের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব বারবার প্রকট হয়েছে। ইস্টবেঙ্গলের দ্রুত আক্রমণের সামনে তাঁরা অনেক সময়ই দিশেহারা হয়ে পড়েন। বিশেষ করে তৃতীয় ও চতুর্থ গোলের ক্ষেত্রে রক্ষণভাগের ভুল চোখে পড়ার মতো।মাঝমাঠেও মোহনবাগান প্রত্যাশিত প্রভাব ফেলতে পারেনি। আপুইয়া এবং অনিরুদ্ধ থাপা কার্যত নিষ্প্রভ ছিলেন। আক্রমণে জেমি ম্যাকলারেনও একাধিক সহজ সুযোগ নষ্ট করেন। মনবীর গোল করলেও দলকে ম্যাচে ফেরানোর মতো ধারাবাহিকতা তৈরি করতে পারেননি।ফাইনালের আগে মোহনবাগানের ক্লান্তি নিয়ে আলোচনা ছিল। শিলংয়ে সেমিফাইনাল, প্রতিকূল আবহাওয়া এবং কর্দমাক্ত মাঠে খেলার ধকলসবই ছিল। কিন্তু ডার্বির মতো বড় ফাইনালে সেই ক্লান্তিকে অজুহাত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। ইস্টবেঙ্গলও একই টুর্নামেন্টের চাপ সামলে মাঠে নেমেছিল, অথচ তাদের ফুটবলারদের মধ্যে ছিল অনেক বেশি তাগিদ, ক্ষুধা এবং জয়ের মানসিকতা।আর সেই মানসিকতারই সবচেয়ে বড় প্রতিফলন এডমুন্ডের হ্যাটট্রিকে। তিন গোল করে শুধু ম্যাচের সেরা ফুটবলারই হলেন না, ডুরান্ডের ইতিহাসে ইস্টবেঙ্গলের প্রত্যাবর্তনের রাতটিকেও নিজের নামে লিখে দিলেন তিনি।মজার বিষয়, ম্যাচের বিভিন্ন পরিসংখ্যানে মোহনবাগান কিছু ক্ষেত্রে এগিয়ে থাকলেও তার কোনও প্রভাব পড়েনি স্কোরলাইনে। কারণ ফুটবল শুধু বল দখল বা শটের সংখ্যা দিয়ে জেতা যায় নাবড় ম্যাচে প্রয়োজন সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত এবং সুযোগকে গোলে পরিণত করার ক্ষমতা। সেই পরীক্ষায় রবিবার সম্পূর্ণ সফল ইস্টবেঙ্গল।২২ বছর আগে শেষ বার ডুরান্ড কাপ জিতেছিল ইস্টবেঙ্গল। তারপর দীর্ঘ অপেক্ষা, হতাশা এবং একের পর এক অসম্পূর্ণ স্বপ্ন। সেই অপেক্ষার অবসান হল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে হারিয়েই। ফলে এই জয় শুধু একটি ট্রফি জয় নয়লাল-হলুদ সমর্থকদের কাছে এটি দীর্ঘ অপেক্ষার পর ফিরে পাওয়া গৌরবের রাত।একদিকে এডমুন্ডের হ্যাটট্রিক, অন্যদিকে মোহনবাগানের রক্ষণভাগের বিপর্যয়সব মিলিয়ে যুবভারতীতে রবিবারের ডার্বি যেন হয়ে রইল এক লাল-হলুদ ঝড়ের রাত।তবে ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের মনে হয়তো শেষ পর্যন্ত একটাই আক্ষেপ থেকে গেলচার নয়, আরও কয়েকটি গোল হতে পারত!

আগস্ট ২৩, ২০২৬
টুকিটাকি

কাঁচা কুমড়ো না পাকা কুমড়ো, কোনটি বেশি উপকারী?

কুমড়ো বাঙালির রান্নাঘরের অতি পরিচিত একটি সবজি। কাঁচা সবুজ কুমড়ো হোক বা পাকা হলুদ-কমলা কুমড়ো, দুটিরই রয়েছে নানা পুষ্টিগুণ। তবে পরিপক্বতার সঙ্গে কুমড়োর পুষ্টি উপাদানে কিছুটা পরিবর্তন ঘটে। বিশেষ করে পাকা কমলা কুমড়ো বিটা-ক্যারোটিনের অন্যতম ভালো উৎস হিসেবে পরিচিত।কাঁচা কুমড়োতে তুলনামূলকভাবে ভিটামিন C-এর পরিমাণ বেশি থাকতে পারে। এতে ক্যালোরিও কম, ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণের খাদ্যতালিকায় এটি রাখা যেতে পারে। কিছু জাতের অপরিপক্ব কুমড়োতে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট কার্যকারিতাও দেখা যায়। তবে কাঁচা কুমড়ো রান্না করে খাওয়াই ভালো, কারণ তাতে হজম সহজ হয়।অন্যদিকে, পাকা হলুদ বা কমলা কুমড়োর প্রধান বৈশিষ্ট্য হল প্রচুর বিটা-ক্যারোটিন। শরীর এই উপাদানকে ভিটামিন A-তে রূপান্তর করে। ফলে চোখের স্বাস্থ্য, ত্বক এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখতে পাকা কুমড়ো উপকারী। এতে লুটেইন ও জিয়াজ্যানথিনের মতো অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টও রয়েছে। রান্না করলে কুমড়োর বিটা-ক্যারোটিন শরীর তুলনামূলক সহজে শোষণ করতে পারে।কুমড়োকে ক্যানসারের ওষুধ বা নিশ্চিত প্রতিরোধক বলা যায় না। তবে এতে থাকা ক্যারোটিনয়েড, পলিফেনল, ভিটামিন C ও E এবং খাদ্যআঁশ শরীরকে অক্সিডেটিভ ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে ভূমিকা রাখতে পারে। তাই স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হিসেবে কুমড়ো খাওয়া উপকারী হতে পারে।কুমড়োর বীজেও রয়েছে প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর অসম্পৃক্ত চর্বি, জিঙ্ক, ম্যাগনেসিয়াম ও ভিটামিন E। হৃদ্স্বাস্থ্য ও সামগ্রিক পুষ্টির জন্য এগুলি গুরুত্বপূর্ণ।পুষ্টিগত বিচারে বিটা-ক্যারোটিনের জন্য পাকা কমলা কুমড়ো কিছুটা এগিয়ে থাকলেও কাঁচা কুমড়োকেও খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দেওয়ার কারণ নেই। অল্প তেলে রান্না করে, অতিরিক্ত ভাজা বা চিনি এড়িয়ে কুমড়ো খাওয়াই ভালো। সব মিলিয়ে, বিভিন্ন ধরনের সবজি, ডাল ও স্বাস্থ্যকর খাবারের সঙ্গে কুমড়ো রাখলেই মিলবে বেশি সুষম পুষ্টি।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
রাজ্য

ওয়াকফ-অশান্তির মামলায় নাম, এবার তৃণমূল ছেড়ে অধীরের হাত ধরে কংগ্রেসে ইনজামুল! কেন এই দলবদল?

ওয়াকফ সংশোধিত আইনকে কেন্দ্র করে অশান্তির ঘটনার পর থেকেই বিতর্কে ছিলেন ধুলিয়ানের পুরপ্রধান ইনজামুল ইসলাম রাজা। এবার সেই ইনজামুলই তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দিলেন। রবিবার প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীর হাত ধরে কংগ্রেসে যোগ দেন তিনি। তাঁর এই দলবদল ঘিরে মুর্শিদাবাদের রাজনীতিতে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।গত বছর সংশোধিত ওয়াকফ আইনকে কেন্দ্র করে জঙ্গিপুরের সামশেরগঞ্জ, সুতি এবং ধুলিয়ানে অশান্তি ছড়িয়েছিল। সেই ঘটনায় ইনজামুল ইসলাম রাজার বিরুদ্ধে প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। বর্তমানে সেই মামলা চলছে। তবে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইনজামুল। তাঁর দাবি, রাজনৈতিক কারণে তাঁকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।রবিবার ধুলিয়ানের কাঞ্চনতলা ঘাটে কংগ্রেসের যোগদান সভায় বড়সড় দলবদল হয়। ইনজামুল ইসলাম রাজার পাশাপাশি ধুলিয়ান পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান খায়রুল আলম, কাউন্সিলর শরিফ শেখ, ফারহানা খাতুন-সহ একাধিক কাউন্সিলর এবং তৃণমূলের কর্মীরা কংগ্রেসে যোগ দেন। একই দিনে মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের প্রাক্তন সহকারী সভাধিপতি ওবায়দুর রহমানও কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন।ইনজামুলের দলবদলকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। বিজেপির দক্ষিণ মালদহ সাংগঠনিক জেলার সহ-সভাপতি মিলন ঘোষ কটাক্ষ করে দাবি করেন, তৃণমূলের দুর্নীতি থেকে বাঁচতেই অনেকে দলবদল করছেন। সামশেরগঞ্জের অশান্তিতে যাঁদের নাম উঠেছিল, তাঁরাও নিজেদের বাঁচাতে দল পরিবর্তন করছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। তবে দলবদল করেও তাঁরা আইনি পরিস্থিতি থেকে রেহাই পাবেন না বলেও দাবি করেন বিজেপি নেতা।বিজেপির এই অভিযোগ অবশ্য সরাসরি খারিজ করেছেন ইনজামুল ইসলাম রাজা। তাঁর দাবি, সামশেরগঞ্জের অশান্তির সঙ্গে তাঁর কোনও যোগ ছিল না। রাজনৈতিক কারণে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে। সেই মামলার বিরুদ্ধে তিনি আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর মুর্শিদাবাদে তৃণমূলের এই ভাঙন বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ধুলিয়ান পুরসভার একাধিক জনপ্রতিনিধির একসঙ্গে দলবদল স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। বিশেষ করে ওয়াকফ-অশান্তির মামলা চলার মধ্যেই ইনজামুলের কংগ্রেসে যোগদান ঘিরে প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে।এ দিনের যোগদান সভায় উপস্থিত ছিলেন অধীর রঞ্জন চৌধুরী, দক্ষিণ মালদহের সাংসদ ইশা খান চৌধুরী, ফরাক্কার বিধায়ক মনিরুল ইসলাম এবং জঙ্গিপুর মহকুমা কংগ্রেসের সভাপতি আলফাজুদ্দিন বিশ্বাস-সহ জেলা ও ব্লক স্তরের কংগ্রেস নেতৃত্ব।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
কলকাতা

হঠাৎ বাংলায় এত বড় বিনিয়োগ! জাহাজ শিল্পে পাঁচ প্রকল্পের সূচনায় বাড়ল আশার আলো

পশ্চিমবঙ্গে জাহাজ নির্মাণ এবং প্রতিরক্ষা শিল্পের পরিকাঠামো আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বড় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্সের ভবনে পাঁচটি সম্প্রসারণ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। এই পাঁচটি প্রকল্পে মোট ৩৪০৪ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।এই উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে রাইচক CPR, টিম্বার পন্ট শিপবিল্ডিং ফ্যাসিলিটি, দামোদর শিপবিল্ডিং ফ্যাসিলিটি, রেডিয়াল ফোরজিং প্ল্যান্ট এবং ৩০০০ টন ওপেন-ডাই ফোরজিং প্রেস প্রকল্প। জাহাজ নির্মাণের পাশাপাশি প্রতিরক্ষা উৎপাদনের ক্ষেত্রেও এই প্রকল্পগুলি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।অনুষ্ঠানে বাংলায় বিনিয়োগ আনার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের ভূমিকার প্রশংসা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, বাংলায় শিল্প গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় জমি, দক্ষ মানবসম্পদ, পরিকাঠামো এবং কাঁচামাল রয়েছে। এতদিন এই সম্ভাবনাকে সঠিকভাবে কাজে লাগানো হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার একসঙ্গে কাজ করলে বাংলায় আরও বড় বিনিয়োগ আসতে পারে বলে বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, নতুন সরকারের আমলে কেন্দ্র ও রাজ্যের সমন্বয়ের ফলে উন্নয়নের গতি আরও বাড়ছে।সীমান্ত সুরক্ষার প্রসঙ্গও উঠে আসে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে। সীমান্তরক্ষী বাহিনীর জন্য জমি দেওয়া কোনও রাজনৈতিক বিষয় নয়, বরং রাজ্য সরকারের দায়িত্ব বলেই মন্তব্য করেন তিনি। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সীমান্তরক্ষী বাহিনীর জন্য প্রয়োজনীয় জমির প্রায় ৯০ শতাংশ হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা জনগণনা সংক্রান্ত কাজও ফের শুরু হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে রাজ্যে বেকারত্ব কমাতে শিল্পায়ন এবং বড় বিনিয়োগের উপর জোর দেওয়ার কথা বলেন তিনি।গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্সের সম্প্রসারণের ক্ষেত্রেও রাজ্য সরকার জমি এবং পরিকাঠামো সংক্রান্ত বিষয়ে সহযোগিতা করবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। ৩৪০৪ কোটি টাকার এই বিনিয়োগ দিয়েই উদ্যোগ শেষ নয়, আগামী দিনে বাংলায় আরও বড় বিনিয়োগ আসতে পারে বলেও আশা প্রকাশ করা হয়েছে।জাহাজ নির্মাণ এবং প্রতিরক্ষা উৎপাদনের পাশাপাশি এই ধরনের শিল্প প্রকল্পের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। বাংলাকে ফের দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিল্প ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ বলে বার্তা দেওয়া হয়েছে।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
কলকাতা

মহাকাশে বদলে যাচ্ছে ভারতের ছবি! স্টার্টআপ প্রধানদের সঙ্গে বৈঠকে কী বললেন মোদী?

জাতীয় মহাকাশ দিবসে দেশের মহাকাশ ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রবিবার দেশের প্রথম সারির মহাকাশ স্টার্টআপগুলির প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। বৈঠকে ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রে স্টার্টআপগুলির উদ্যম, উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং নতুন ভাবনার প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জীবন আরও সহজ করতে মহাকাশ প্রযুক্তির নতুন ব্যবহার খুঁজে বার করার পরামর্শ দেন তিনি।মোদী বলেন, মহাকাশ প্রযুক্তিকে শুধু প্রচলিত কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। মানুষের দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানেও এই প্রযুক্তিকে কাজে লাগাতে হবে। প্রযুক্তির মাধ্যমে মানুষের জীবনযাত্রার মান কীভাবে আরও উন্নত করা যায়, সেই বিষয়ে নতুন করে ভাবার পরামর্শ দেন তিনি।ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রের ভবিষ্যৎ নিয়েও স্টার্টআপ প্রধানদের সঙ্গে আলোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁদের আত্মবিশ্বাস এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার প্রশংসা করে তিনি সরকারি নীতির ধারাবাহিকতার উপর জোর দেন। তাঁর বক্তব্য, সরকারের সিদ্ধান্তের উপর মহাকাশ ক্ষেত্রে কাজ করা সংস্থাগুলির যে আস্থা তৈরি হয়েছে, তা ধরে রাখা অত্যন্ত জরুরি।বিশ্বের মহাকাশ অর্থনীতিতে ভারতকে আরও বড় জায়গায় নিয়ে যাওয়ার কথাও বলেন মোদী। তাঁর আশা, আগামী দিনে মহাকাশ ক্ষেত্রে কোনও বড় প্রযুক্তিগত সাফল্য এলেই বিশ্বের নজর ভারতের স্টার্টআপগুলির দিকে ঘুরবে। ভারতীয় সংস্থাগুলি যেন বিশ্ব মহাকাশ ক্ষেত্রে নিজেদের শক্তিশালী পরিচয় তৈরি করতে পারে, সেই লক্ষ্যেই এগোতে হবে বলে বার্তা দেন তিনি।মহাকাশ স্টার্টআপ, মহাকাশ সংস্থা এবং বৃহত্তর প্রযুক্তি ক্ষেত্রের মধ্যে আরও বেশি সহযোগিতার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। বিদেশে কাজ করা ভারতীয় দক্ষ পেশাদারদের দেশে ফিরে আসার প্রবণতাকেও ইতিবাচক বলে উল্লেখ করেন তিনি। তাঁর মতে, ভারতে এমন পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন, যাতে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের দক্ষ মানুষ মহাকাশ ক্ষেত্রে কেরিয়ার গড়ার জন্য ভারতকে অন্যতম সেরা ঠিকানা হিসেবে বেছে নেন।মোদীর বক্তব্য, ভারতীয় মহাকাশ স্টার্টআপগুলির দ্রুত বৃদ্ধি আগামী দিনে বিশ্বের প্রতিভাবান পেশাদারদের আকৃষ্ট করতে পারে। শুধু দেশের প্রতিভা নয়, গোটা বিশ্বের দক্ষ মানুষকে ভারতের মহাকাশ ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত করার লক্ষ্যেই এগোতে হবে। জাতীয় মহাকাশ দিবসে প্রধানমন্ত্রীর এই বার্তায় মহাকাশ ক্ষেত্রে ভারতের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
রাজ্য

আবার নিম্নচাপের চোখরাঙানি! রবিবার থেকে মঙ্গলবার ভিজবে বাংলা, কোথায় ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা?

রবিবার থেকেই বাংলার আবহাওয়ায় ফের বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। সকাল থেকেই আকাশ মেঘলা। উপকূলের দিকে ইতিমধ্যেই মেঘ ঢুকতে শুরু করেছে। ফলে রবিবার থেকে বৃষ্টি বাড়তে পারে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টি চলতে পারে।গত সপ্তাহে নিম্নচাপের জেরে প্রবল বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হয়েছিল দক্ষিণবঙ্গ। কলকাতা-সহ প্রায় সব জেলাতেই বৃষ্টি হয়েছিল। বহু জায়গায় জল জমে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়ে। এর মধ্যেই বঙ্গোপসাগরে ফের একটি নিম্নচাপ তৈরি হয়েছে। অগস্ট মাসে এটি তৃতীয় নিম্নচাপ বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। নতুন এই নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী কয়েক দিন রাজ্যে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, নতুন নিম্নচাপটি বাংলা ও ওড়িশা উপকূলের কাছে অবস্থান করছে। এর প্রভাবে উপকূলবর্তী এবং পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে বৃষ্টি বেশি হতে পারে। কলকাতায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।রবিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। একই সঙ্গে দুই মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সোমবার ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া এবং বাঁকুড়ায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। তবে নিম্নচাপের মূল প্রভাব পড়তে পারে ওড়িশা এবং ছত্তীসগঢ়ে।দক্ষিণবঙ্গের পর মঙ্গলবার থেকে উত্তরবঙ্গেও ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। বুধবার কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা রয়েছে।বৃহস্পতিবারও রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। ফলে সপ্তাহের শুরু থেকেই ফের বৃষ্টির দাপট দেখা দিতে পারে বাংলায়। নতুন নিম্নচাপের গতিপথ এবং শক্তি বদলালে বৃষ্টির পূর্বাভাসেও পরিবর্তন হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

আগস্ট ২৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ব্রাজিল ম্যাচ বয়কটের ডাক বাইচুংয়ের, ‘স্থানীয় রাজনীতি’ বলে উড়িয়ে দিল ব্রাজিল! যুবভারতীর ম্যাচ ঘিরে তুঙ্গে বিতর্ক

৩ অক্টোবর কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ভারত বনাম ব্রাজিলের বহু প্রতীক্ষিত ফুটবল ম্যাচ। বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবল দলের বিরুদ্ধে ভারতের মাঠে নামার খবরে ইতিমধ্যেই ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে উন্মাদনা তৈরি হয়েছে। কিন্তু ম্যাচ যত এগিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে বিতর্কও। একদিকে এই ম্যাচ আয়োজনকে ঘিরে বিপুল খরচ এবং দেশের ফুটবল পরিকাঠামো নিয়ে প্রশ্ন উঠছে, অন্যদিকে এর জন্য ঘরোয়া ফুটবল সূচি ও জাতীয় দলের পরিকল্পনায় প্রভাব পড়ছে বলে অভিযোগ।এই পরিস্থিতিতেই ভারতীয় ফুটবলের কিংবদন্তি বাইচুং ভুটিয়া সরাসরি ব্রাজিল ম্যাচ বয়কটের ডাক দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, একটি মাত্র প্রদর্শনী ম্যাচের পিছনে বিপুল অর্থ খরচ না করে সেই টাকা দীর্ঘমেয়াদি ভাবে ভারতীয় ফুটবলের উন্নয়নে বিনিয়োগ করা উচিত। বাইচুংয়ের মতে, এমন ম্যাচের পিছনে অর্থ ব্যয় করলে তা দেশের ফুটবলের ভবিষ্যৎকে এগিয়ে নেওয়ার বদলে উল্টে পিছিয়ে দিতে পারে।বাইচুংয়ের কথায়, ম্যাচ বয়কট করলে একটি স্পষ্ট বার্তা যাবে। ভবিষ্যতে এই ধরনের বড় ম্যাচ আয়োজনের আগে ফেডারেশনকে আরও সতর্ক হয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।বিপুল খরচ, প্রশ্নের মুখে ঘরোয়া ফুটবলকলকাতায় ব্রাজিলকে নিয়ে ম্যাচ আয়োজন করতে প্রায় ৬০ থেকে ৭০ কোটি টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। ম্যাচের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ব্রাজিলের পর্যবেক্ষক দল যুবভারতী পরিদর্শনও করেছে। স্টেডিয়ামের পরিকাঠামো নিয়ে তাদের তরফে কিছু উদ্বেগের কথাও উঠে এসেছে।এর পাশাপাশি সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে ভারতীয় ফুটবলের ঘরোয়া কাঠামো নিয়ে। ব্রাজিল ম্যাচকে কেন্দ্র করে আইএসএলের সূচি পিছিয়ে যাওয়ার জল্পনা তৈরি হয়েছে। ফলে ক্লাবগুলির প্রস্তুতি এবং গোটা মরসুমের পরিকল্পনা নিয়েও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।অন্যদিকে ফিফা এশিয়ান কাপের বিষয়টিও নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছে। একই সময়ে আন্তর্জাতিক ম্যাচ এবং অন্যান্য সূচির সংঘাতের কারণে ভারত এশিয়ান কাপ থেকে নাম প্রত্যাহার করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। যদিও এই বিষয়ে ব্রাজিল ফুটবল কর্তৃপক্ষের তরফে কোনও নিশ্চিত তথ্য তাদের কাছে নেই বলেই জানানো হয়েছে।বাইচুংয়ের প্রশ্নএক ম্যাচের জন্য এত টাকা কেন?বাইচুং ভুটিয়ার যুক্তি, ব্রাজিলের মতো দলের বিরুদ্ধে ৯০ মিনিটের ম্যাচ নিঃসন্দেহে ভারতীয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে বড় আকর্ষণ। কিন্তু সেই আবেগের বাইরে গিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথা ভাবতে হবে।তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, যদি এত বড় অঙ্কের অর্থ হাতে থাকে, তবে তা আগামী কয়েক বছরের জন্য দেশের ক্রীড়া পরিকাঠামো, প্রতিভা অন্বেষণ, প্রশিক্ষণ এবং আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড় তৈরিতে বিনিয়োগ করা যায় না কেন? তাঁর মতে, সেই বিনিয়োগ থেকে ভবিষ্যতে কমনওয়েলথ গেমস বা অলিম্পিক্সের মতো মঞ্চে পদক পাওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে।এবার পাল্টা বার্তা ব্রাজিলেরভারতীয় ফুটবল মহলে যখন ম্যাচ বয়কট নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে, তখন ব্রাজিলের ফুটবল কর্তাদের বক্তব্য পরিস্থিতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারতের অভ্যন্তরে এই ম্যাচ নিয়ে কী ধরনের বিতর্ক চলছে, তা নিয়ে ব্রাজিল কর্তৃপক্ষ বিশেষ চিন্তিত নয়। ম্যাচের সূচি পরিবর্তনেরও কোনও সম্ভাবনা নেই।বয়কট নিয়ে ব্রাজিলের তরফে বিশেষ মাথাব্যথা নেই বলেও ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। বরং এই ধরনের বক্তব্যকে স্থানীয় রাজনৈতিক বা অভ্যন্তরীণ বিতর্কের অংশ হিসেবেই দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের দাবি।এশিয়ান কাপ থেকে ভারতের নাম প্রত্যাহারের বিষয়েও ব্রাজিল কর্তৃপক্ষের কাছে কোনও স্পষ্ট তথ্য নেই বলে জানা গিয়েছে। ফলে ভারতের অভ্যন্তরীণ ফুটবল পরিস্থিতির সঙ্গে ব্রাজিলের কলকাতা সফরকে যুক্ত করার কোনও কারণ দেখছে না পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।ভারত আমাদের সমর্থন করেছে, বলছে ব্রাজিলব্রাজিল দলের পক্ষ থেকে রড্রিগো কেতানোও এই ম্যাচের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করেছেন। তাঁর বক্তব্যের মূল সুরভারত বিশ্বকাপের সময়ে ব্রাজিলকে যে সমর্থন দিয়েছে, তার জন্য তারা কৃতজ্ঞ। কলকাতায় ম্যাচ আয়োজনকে তাই শুধু বাণিজ্যিক বা প্রদর্শনী ম্যাচ হিসেবে দেখছে না ব্রাজিল।ব্রাজিলের তরফে জানানো হয়েছে, এই ম্যাচে তারা নিজেদের সেরা ফুটবল উপহার দিতে চায়। অর্থাৎ ভারতের মাটিতে এসে শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকতা সারাই তাদের লক্ষ্য নয়; বরং ভালো পারফরম্যান্স করে ম্যাচটিকে স্মরণীয় করে তুলতে চায় তারা।স্টিমাচের কটাক্ষেও বাড়ছে বিতর্কব্রাজিল ম্যাচ ঘিরে বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছেন ভারতের প্রাক্তন কোচ ইগর স্টিমাচও। তাঁর বক্তব্য, দেশের ঘরোয়া লিগ এবং জাতীয় দলের পরিকল্পনার মধ্যে এখনও প্রয়োজনীয় সামঞ্জস্য তৈরি হয়নি। সেই সমস্যা সমাধান না করে ব্রাজিল বা আর্জেন্টিনার মতো দলের বিরুদ্ধে ম্যাচ আয়োজন করা হলে তা ভারতীয় ফুটবলের জন্য উল্টে অস্বস্তির কারণ হতে পারে।অর্থাৎ একদিকে বাইচুংয়ের আর্থিক অগ্রাধিকারের প্রশ্ন, অন্যদিকে স্টিমাচের ঘরোয়া ফুটবলের কাঠামো নিয়ে অভিযোগসব মিলিয়ে ৩ অক্টোবরের ম্যাচ এখন শুধুমাত্র একটি ফুটবল ম্যাচে সীমাবদ্ধ নেই।ম্যাচ হবে, বিতর্কও চলবে?একদিকে ব্রাজিলের মতো দলের বিরুদ্ধে যুবভারতীতে ভারতকে দেখার স্বপ্নে ফুটবলপ্রেমীরা উত্তেজিত। অন্যদিকে দেশের ফুটবলের ভবিষ্যৎ, বিপুল খরচ, আইএসএলের সূচি এবং জাতীয় দলের পরিকল্পনা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন প্রাক্তন ফুটবলার ও কোচেরা।ব্রাজিলের তরফে অবশ্য এখনও পর্যন্ত বার্তা স্পষ্টতারা ম্যাচ খেলতে প্রস্তুত এবং সূচি বদলের কোনও পরিকল্পনা নেই। ফলে ৩ অক্টোবর যুবভারতীতে ভারত-ব্রাজিল ম্যাচ ঘিরে উত্তেজনা যেমন বাড়ছে, তেমনই তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বিতর্কও। এখন দেখার, শেষ পর্যন্ত মাঠের ৯০ মিনিট কি সমস্ত বিতর্ককে ছাপিয়ে যেতে পারে, নাকি ম্যাচ শেষ হওয়ার পরও ভারতীয় ফুটবলের ভবিষ্যৎ নিয়ে এই প্রশ্নগুলি আরও জোরালো হয়ে ওঠে।

আগস্ট ২২, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

দুই দশকের ডুরান্ডের আক্ষেপ ঘোচানোর লড়াই, ডার্বির আগে হাবাসের মন্ত্র—‘আবেগ নয়, বুদ্ধিই শেষ কথা’

দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে অপেক্ষা। শেষ বার ২০০৪ সালে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে মোহনবাগানকে ২-১ গোলে হারিয়ে ট্রফি জিতেছিল ইস্টবেঙ্গল। তারপর থেকে সময় গড়িয়েছে, বদলেছে দল, কোচ, ফুটবলারকিন্তু লাল-হলুদ শিবিরের ডুরান্ড-খরা কাটেনি। ২২ বছর পর সেই আক্ষেপ মুছে ফেলার সামনে দাঁড়িয়ে ইস্টবেঙ্গল। আর সেই লড়াইয়ের মঞ্চে প্রতিপক্ষ আবারও চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগান।রবিবারের ডুরান্ড ফাইনাল তাই শুধু একটি ট্রফির লড়াই নয়। একদিকে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটানোর তাগিদ, অন্যদিকে ডার্বির অতিরিক্ত উত্তেজনাসব মিলিয়ে ম্যাচের আবহ ইতিমধ্যেই তুঙ্গে। তবে এই আবেগকেই নিয়ন্ত্রণে রাখাকে সাফল্যের অন্যতম চাবিকাঠি বলে মনে করছেন ইস্টবেঙ্গল কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাস।হাবাসের কাছে ডার্বি মানেই শুধু আবেগের লড়াই নয়, বরং মাথা ঠান্ডা রেখে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরীক্ষা। সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, কলকাতার ফুটবলপ্রেমীদের কাছে ম্যাচটির গুরুত্ব যতই বেশি হোক, তাঁর দলকে মাঠে নেমে এটিকে একটি সাধারণ ম্যাচের মতোই খেলতে হবে।হাবাসের কথায়, ডার্বিতে আবেগ থাকবেই। কিন্তু সেই আবেগ যদি খেলোয়াড়দের নিয়ন্ত্রণ করে, তাহলে কৌশল এবং পরিকল্পনা ভেস্তে যেতে পারে। তাই তাঁর লক্ষ্য আবেগের মাত্রা ১০০ শতাংশ থেকে নামিয়ে প্রায় ২৫ শতাংশে নিয়ে আসা। ম্যাচের ৯০ মিনিটে কোন মুহূর্তে ঝুঁকি নিতে হবে, কখন ধৈর্য ধরতে হবে এবং কখন কৌশল বদলাতে হবেসেই বুদ্ধিমত্তাই পার্থক্য গড়ে দিতে পারে বলে মনে করছেন তিনি।ফাইনালের আগে ইস্টবেঙ্গলের জন্য বড় ধাক্কা পিভি বিষ্ণুর অনুপস্থিতি। সেমিফাইনালের মতো ফাইনালেও মাঠে নামতে পারবেন না দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আক্রমণভাগের ফুটবলার। চলতি ডুরান্ডে দুরন্ত ছন্দে ছিলেন বিষ্ণু। সিআইএসএফের বিরুদ্ধে ইস্টবেঙ্গলের ৮-০ জয়ের ম্যাচে হ্যাটট্রিক করে নজর কেড়েছিলেন তিনি। তাঁর গতি এবং আক্রমণাত্মক ফুটবল প্রতিপক্ষের রক্ষণকে একাধিক বার সমস্যায় ফেলেছে।বিষ্ণুকে না পাওয়ায় স্বাভাবিক ভাবেই পরিকল্পনায় কিছুটা পরিবর্তন আনতে হবে হাবাসকে। তাঁর জায়গায় প্রথম একাদশে বিপিন সিংয়ের সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিকল্প হিসেবে ভাবনায় রয়েছেন জেসিন টিকে। ডুরান্ডেই সিআইএসএফের বিরুদ্ধে জোড়া গোল করে নিজের দাবিও জোরালো করেছেন তিনি।শুধু বিষ্ণু নন, ফাইনালে এফিয়ংকেও পাওয়া যাবে না বলে জানিয়েছেন হাবাস। বিদেশি স্ট্রাইকার এবং ডিফেন্ডার ছাড়া এমন গুরুত্বপূর্ণ ডার্বিতে নামা যে সহজ নয়, তা স্বীকার করেছেন ইস্টবেঙ্গল কোচ। তবে সমস্যাকে সামনে রেখে অজুহাত তৈরি করতে তিনি একেবারেই রাজি নন।হাবাসের বক্তব্য, রেফারিং, প্রতিপক্ষ কিংবা দলের কোনও নির্দিষ্ট ফুটবলার না থাকার মতো বিষয়কে সামনে রেখে ম্যাচের আগে অজুহাত খোঁজা অর্থহীন। মাঠে যে ফুটবলাররা থাকবেন, তাঁদের নিয়েই সেরাটা দিতে হবে। তাঁর বিশ্বাস, প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও ইস্টবেঙ্গল নিজেদের সেরা ফুটবল খেলতে সক্ষম।অন্যদিকে, মোহনবাগানকে যথেষ্ট সমীহ করছেন লাল-হলুদ কোচ। সবুজ-মেরুন দলের প্রত্যেক ফুটবলারকেই বিপজ্জনক বলে মনে করছেন তিনি। বিশেষ করে গোলরক্ষক বিশাল কাইথের প্রশংসা করেছেন হাবাস। তবে নিজের দলের গোলরক্ষক প্রভসুখন সিং গিলের উপরও তাঁর আস্থা অটুট। ফলে ফাইনালে দুই গোলরক্ষকের পারফরম্যান্সও ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।ডার্বির উত্তাপের মধ্যেও অবশ্য প্রস্তুতির ধরন বদলে ফেলেছে ইস্টবেঙ্গল। ফাইনালের আগে মাঠের অনুশীলন বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দল। হাবাসের মতে, এই মুহূর্তে আরও একটি অনুশীলনের চেয়ে ফুটবলারদের পর্যাপ্ত বিশ্রাম দেওয়া বেশি জরুরি। গত কয়েক দিনে ম্যাচের প্রস্তুতি এবং রিকভারির জন্য যথেষ্ট সময় পাওয়া গিয়েছে। তাই ফুটবলারদের শরীরকে তরতাজা রাখাই এখন তাঁর অগ্রাধিকার।মাঠের বদলে হোটেলেই চলবে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি। জিমে অনুশীলন, ফুটবলারদের কাছ থেকে আরও নিবিড় পর্যবেক্ষণ এবং ইনডোর সেশনের মাধ্যমে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি সারবে দল।সব মিলিয়ে রবিবারের ফাইনাল ইস্টবেঙ্গলের কাছে একাধিক কারণে বিশেষ। ২২ বছরের ডুরান্ড-খরা কাটানোর হাতছানি, সামনে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগান, আবার ২০০৪ সালের ফাইনালের স্মৃতিও ফিরছে। কিন্তু ইতিহাস কিংবা আবেগ নিয়ে বেশি ভাবতে চান না হাবাস। তাঁর কাছে হিসাবটা একেবারেই সরল৯০ মিনিট মাথা ঠান্ডা রেখে খেলতে হবে, সঠিক মুহূর্তে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে এবং কোনও অজুহাত ছাড়াই ট্রফির জন্য লড়াই করতে হবে।২২ বছর আগের সেই জয়ের স্মৃতি কি আবারও লাল-হলুদ সমর্থকদের মুখে হাসি ফোটাবে? নাকি ডার্বির মঞ্চেই ইস্টবেঙ্গলের দীর্ঘ অপেক্ষা আরও বাড়বেউত্তর মিলবে রবিবারের মহারণে।

আগস্ট ২২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal